News Ticker

Menu

Browsing "Older Posts"

১৩ টি লক্ষণ দেখে বুঝবেন ক্ষন আপনার সম্পর্কে সাহায্য দরকার এবং কোথায় সেটা পাবেন।

Sunday, 11 February 2018 / No Comments
সম্পর্কে কারও সাহায্য নিলে সেটা লজ্জার না। সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য সক্রিয় টাকা একটা মহান জিনিস। কিভাবে সাহায্য পেতে হয় এখানে সেটা বলা হয়েছে।
কেউ তাদের সম্পর্কের জন্য সাহায্য নিতে চায়না। যাইহোক আপনি যদি সত্যি আপনার সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চান এবং ভালো রাখতে চান তাহলে মাঝে মাঝে আপনাকে সাহয্য নেওয়ার মুখামুখি হতে হবে।
প্রকৃতপক্ষে সাহায্য পেতে প্রথম ধাপে আপনাকে জানতে হবে ক্ষন আপনার সেটা দরকার।
আমি জানি অনেক লোক তাদের সম্পর্কের সমস্যা গুলি সম্পর্কে কথা বলতে বিরত থাকাটা পছন্দ করে কিন্তু তাদের সাহায্য প্রয়োজন ।
আপনি যদি সত্যি তার প্রতি যত্ন নেন এবং সম্পর্ক চালিয়ে নিতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ঘটনাগুলির মুখামুখি হতে হবে।
সব সম্পর্ক টিকে সংরক্ষিত নয়  এটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটা ই সত্যি।
এমনিকি আপনার সম্পর্ক ও সংরক্ষিত না ও হতে পারে আপনি যদি আপনার সম্পর্ক সব সময় ভালো রাখতে চান তাহলে আপনাদের দুইজনকে খারাফ জিনিস গুলো নির্ধারণ করতে যেটা অন্যরা করে সেটা করা বন্ধ করতে হবে।
তবে কখনও কখনও  এটা কাজ করবেনা। যদি আপনাদের মধ্যে দুরত্ব থাকে তাহলে এটা অতিক্রম করতে পারবেন না। যদি আপনারা দুজনে ই চান যে সম্পর্কটি ভালো থাকুক তাহলে যেকোন ধরনের সাহয্য আপনাদের জন্য অনেক কার্যকরী হবে।
কিভাবে বুঝবেন আপনাদের সম্পর্কে সাহায্য প্রয়োজন
যদি আপনি বুঝতে না পারেন যে আপনাদের সম্পর্কে কিছু গুরতর সমস্যা রয়েছে ,তবে কিছু লক্ষণ আছে সেটাকে বুঝার জন্য।তবে আপনাকে নিজের ব্যপারে সৎ হতে হবে যাতে সে চলে যাবার আগেই আপনি জিনিসগুলো ঠিক করতে পারেন।
১। আপনি  কিছু বিষয় নিয়ে প্রায় ঝগড়া ঝাটি করেন আর এভাবে সম্পর্ক চলছে।
আপনা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র
 বিষয় নিয়ে সবসময় ঝগড়া করেন কিন্তু ঝগড়া ঝাটি কক্ষনও  একটা মানুষের আদর্শ হতে পারেনা।
যদি এমন হয়জে অনেক ঝগড়া ঝাতির পর ও আপনি খুশি তার মানে আপনাদের সম্পর্কে অনেক বেশি সাহায্য দরকার।
২। আপনি একি জিনিস নিয়ে বার বার বিচলিত হয়ে পড়ছেন।
যদি আপনি একি জিনিস নিয়ে সব সময় বিচলিত হন তার মানে আপনাদের সম্পর্কে সমস্যা যাচ্ছে। আপনার সঙ্গীকে বার বার বলার দরকার নেই যে আপনি ব্যপারটা তে আঘাত পাচ্ছেন। যদি এমন হয় যে আপনি বলার পরও সে একি ভাবে আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে তার মানে আপনার সাহায্য দরকার।
৩. সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায় হিসেবে শারিরিক সম্পর্ক করছেন। লড়াইর পর কেবল শারিরিক সম্পর্ক করেই  একটা সম্পর্ক চালিয়ে নেওয়া যায়না বা ভালো করা যায়না।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে  এই পরিস্থিতে শারিরিক সম্পর্ক আপনি পুরাপুরি সুখ পান না। আসলে আপনি সমস্যাটার সমাধান করতে না পারার কারনে এবং কলহ বন্ধ করার জন্যতার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করছেন। এটা অবশ্যই একটা বিশাল বিষয় যে আপনি সমস্যার সমাধান না করে  সমস্যা গুলো মুড়িয়ে রাখছেনআপনার যে সাহায্য দরকার এটা তার একটা বড় লক্ষণ।

৪.আপনি সাধারন ভাবে শারিরিক সম্পর্ক করছেন না। যৌনতা ছাড়া আপনি অন্য আর কিছু করছেন না এবং একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন না। এমন ভাবে থাকছেন যে আপনার শুধু একজন অপরজনের বন্ধু হিসেবে আছেন। যদি এমনটা হয় তার মানে আপনাদের সম্পর্কের খারাপ সময় যাচ্ছে।
৫. আপনার মনে হয় যে আপনার সঙ্গী আপনার ব্যাপারে  মনোযোগী নয়।
এটি একটি বড় সমস্যা।। যদি এমনটা মনে হয় যে আপনার সঙ্গীর আপনার প্রতি অনুভূতি নেই তার মানে আপনাদের সম্পর্কে অনেক দুরত্ব তৈরি হয়েছে। এই দুরত্ব তাড়াতাড়ি  শেষ মা করলে অচিরেই আপনাদের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে।
৬. আপনার সঙ্গী প্রায় আপনাকে অপমান করে কথা বলে।  এবং প্রায় অন্যদের সামনে আপনাকে নিয়ে তামাশা করে এবমগ আপনাকে অপমান করে । হতে পারে তারা আপনার বড় নাক বা আপনার পোশাক নিয়ে হাসাহাসি করে যদিও এটা বিশাল সমস্যা না তবে   এক সময় এসবের  কারনে আপনাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবে।   
. আহত হওয়ার ভয়ে আপনার কাছে কিছুই ভালো লাগছেনা এমন যদি হয় যে আপনি  কোন কিছু করতে পারেন সেটা তার সাথে বলাটা আপনার কাছে ভয় লাগে  তাহলে আপনাদের একজন অপরজনের সাথে কথা বলা উচিত সমর্থনের জন্য কিন্তু বিচারের জন্য নয়। যদি আপনারা এই রকম না করে থাকেন তাহলে এটা সম্পর্কের একটা বড় সমস্যা।
৮.  আপনি বিরক্ত বোধ করেন। সব সম্পর্কে বিরক্ত থাকে এবং তার পর অনেক উত্তেজনাও থাকে।যাইহোক আপনি যদি কিছু সময়ের জন্য বিরক্ত হন এবং চিন্তা করছেন এটা থেকে বের হতে পারবেন না, তাহলে   আনন্দ ফিরে পেয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য আপনার ছোটখাটো সাহায্য দরকার।
আপনি কোথায় থকে সাহায্য পেতে পারেন
সৌভাগ্যবশত  এই বিষয় গুলো আপনার পরিচিত সবার সাথে আলোচনা করার দরকার নেই। আপনি যদি আপনার সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে চান তাহলে আপনার কিছু সাহায্য দরকার যেটা সব সময় পাওয়া যায়। এখানে বিভিন্ন রকমের সাহায্যর কথা বলা আছে যেগুলো আপনি পেতে পারেন বা নিতে পারেন।
১. একজন সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা। যদি সত্যি সত্যি আপনার সমস্যা নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন  কিন্তু সঙ্গীর সাথে আলাপ করাটা আপনি ভালো মনে করছেন না তাহলে একজন  সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টার কাছে যাওয়াটা আপনার জন্য ভালো হবে।  আপনার বুকের জমানো কষ্ট দুর করার বিষয়ে উনি আপনাকে সাহায্য করবে। উনি আপনার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানবেন এবং সেই অনুযায়ী আপনাকে সমাধান দিবে।
২.  ঘনিষ্ঠ কোন বন্ধুকে দিয়ে মধ্যস্থতা  করার চেষ্টা করুন।  যদি আপনাদের দুইজনের ঘনিষ্ঠ একজন বা দুইজন বন্ধু থাকে তাদের কাছে সাহায্য চান । কি ঘটছে বা চলছে সেটা   আপনার সঙ্গীকে বোঝনোর জন্য তাদেরকে বলুন । এমনকি তারা আপনাকেও বুঝাবে তার হয়ে   । আপনার সম্পর্ক ভালো করার জন্য আপনি কেবল বিশ্বস্ত কোন বন্ধুকে এই কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।
৩. সৎ এবং সঠিক কথাটা বলুন। আমি জানি যে, যে বিষয় গুলো ঘটছে সেগুলোতে যে আপনি খুশি নন  সেটা আপনার সঙ্গীর সাথে বসে  মিটমাট করা বা সে বিষয়ে কথা বলাটা  খুবই কঠিন     একটি কাজ। আমি জানি ব্যাপারটি অনেক কঠিন। কিন্তু  আপনি যদি সমস্যার সমাধান করতে চান  তাহলে এটা হবে আপনাদের জন্য সর্বউত্তম পন্থা।
নিচে বসে সৎ এবং নিরপেক্ষ কথা বার্তা বলুন। সব ভয় ভীতি,  জড়তা ,অহংকার ত্যাগ করে এই কাজটি করুন , সংযত আচরনে তাকে বলুন আপনি যখন শান্ত থাকেন কি পরিমান আপনি তাকে অনুভব করেন বা মিস করেন। ফলে সে  দেখবে আপনি আগের থেকে কতটা পরিবর্তন আর ভালো হয়ে গেছেন।

 আপনাদের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে  আপনাকে নিজের দোষ ত্রুটি স্বীকার করে নিতে হবে।  আপনাদের সম্পর্কে কখন সাহায্যর প্রয়োজন  সেটা যদি জানতে পারেন তাহলে  ভাল ,সুখী , স্বছন্দ্যময় জীবন যাপন  করাটা আপনাদের জন্য সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।

আপনারা একজন অপর জনের জন্য সঠিক কিনা সেটা জানতে বিবাহের আগে ১২ টি প্রশ্ন জেনে নিন ।

/ No Comments
বিবাহ করা একটা জীবনের একটি বড় বিষয় আপনাকে বিবাহের আগেই নিশ্চিত হতে হবে আপনারা একজন অপরজনের জন্য সঠিক ব্যাক্তি কিনা। কেউ যদি আপনার জন্য  ১০০% নিখুঁত হয় আপনি কখনও নিশ্চিত হয়ে  সেটা বলতে পারবেন না। আপনি  কেবল বিশ্বাস করেন তাকে এবং যেখানে সম্পর্ক আছে এবং আপনারা একসাথে থাকছেন। কিন্তু আপনাকে সত্যিই নিশ্চিত হতে হবে যে, আপনি যার সাথে জীবন অতিবাহিত করছেন সে আসলেই  আপনার জন্য বা আপনারা একজন কি অপরজনের জন্য?
বিবাহের আগে যদি আপনি এই প্রশ্ন গুলো করেন তাহলে আপনি অবশ্যই বুঝতে পারবেন সে কি আসলে আপনার জন্য ভালো না খারাপ।
সমাজ আশা করে মানুষকে বিয়ে করতে হবে আর সে কারণে সবাই বিয়ে করে এমন নয় যে সবাই বিয়েতে বিশ্বাস করে বা সারা জীবন কারো সাথে থাকতে চায় তবে সবই বিয়ে করে  কারণ পরিবারের সবাই চায় সে বিয়ে করুক
 একটি নিদিষ্ট বয়স হলে সবাই প্রশ্ন করে কেন সে বিয়ে করছেনা আর এই চাপে সে  কাউকে বিয়ে করে  না হলে অনেকেই করত না
বিবাহ বিচ্ছেদ তখনি ঘটে যখন সম্পর্ক যখন দেখা যায় যে , সে বিয়ের  আগে যা জানা দরকার ছিল  সেটা সে জানতে পারেনি বেশির ভাগ সময় দেখা যায় যে দম্পতিরা কিছু প্রশ্নের উত্তর আত্ববিশ্বাসের সহিত দিতে পারেনা 
 বিয়ের আগে কিছু  প্রশ্ন জিজ্ঞাস করা উচিত?
যদি আপনি বিয়ের কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে আপনাকে প্রথমে কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাস করে নিতে হবে এই প্রশ্ন গুলোর কারণে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি যাকে বিয়ে করছেন  বা যার সাথে সারা জীবন অতিবাহিত করতে চান সে আসলেই আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা
. কি ধরণের বাসা /বাড়ী আপনাদের পছন্দ? প্রাই অনেক দম্পত্তির ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা তাদের স্বপ্নের বাড়ী এবং কি করতে পছন্দ করেন সেটা আলোচনা করেন কিন্তু তারা আসলেই তাদের জন্য যেটা আদর্শ বা বাস্তব সম্মত সেই সম্পর্কে কোন আলোচনা ই করেনা
কি ধরণের বাসা/ বাড়ী আপনারা দুইজনেই পছন্দ করেন? ব্যাপারটা কি এমন যে
খুব বড় বাসা অনেক খালি জায়গা অথবা খুব ছোট বাসা এবং আল্পদামি  যাতে আপনি অনেক বেশি ভ্রমন এবং দুঃসাহসিক যাত্রার  পেছনে টাকা খরচ করতে পারেন? যদি এইরকম কিছু হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে অবশ্যই টার সাথে আলোচনা করে নিতে হবে
. আপনার আয়ের কত শতাংশ আপনি বাড়ি বাড়ায় ব্যয় করতে চান টাকা একটা বিশাল বড় বিষয় অনেক দম্পতি আর্থিক সমস্যার করনে বিয়ের সম্পর্কটা শেষ করে দেয় আপনি বাসাবাড়ির জন্য নিজ থেকে কত টাকা খরচ করতে ইচ্ছুক সেটা আগে থেকে বুঝিয়ে দেওয়াটা খুবই গুরত্বপূর্ণফলে আপনারা বুঝতে পারবেন যে আসলে আপনাদের দুইজনের চিন্তা ধারার বিষয়টা কেমন।
৩.কে ঘরের ভিতরের আর কে  ঘরের বাইরের সৌন্দর্য বর্ধনের দ্বায়িত্ব নিবে? আপনি কি কখনও বিষয়টি আলোচনা করেছেন? যদি আপনারা ইতোমধ্যে একসাথে বাস করছেন তাহলে আপনারা অবশ্যই বিষয়টি  আলোচনা করেছেন যদি না করে থাকেন তাহলে এখনই এই বিষয়টা  নিয়ে কথা বলা শুরু করতে হবে। যদি দেখেন দুজনের কারোই বাড়ির বাগান বা উঠানের কাজ করতে ভালো লাগেনা
তাহলে আপনাদের দুইজনকেই একসাথে আলোচনা করবেন আর নিজেরা  এমন একটা বাড়ি কিনবেন যেখানে আগে থেকে অনেক গাছপালা বা বাগান থাকবে।
৪. কি ধরনের নৈতিকতা এবং মূল্যবোধ বাচ্চাদের মধ্যে বপন করা খুবই গুরত্বপূর্ণ? আপনি ইতোমধ্যে জানেন যে আপনি একটা ভালো বেবি চান এবং প্রত্যেকে সেটা ই চায় কিন্তু আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে কি ধরনের মূল্যবোধ নিয়ে সে বড় হবে? কি ধরনের নৈতিকতার বীজ  আপনি কষ্ট করে বপন করতে চান তাদের মধ্যে ? 
যদি আপনারা দুজনই এই ব্যাপারে একমত না হয়ে থাকেন তবে বাচ্চা হওয়ার পর এই বিষয়টি অনেক কঠিন এবং খারপ হবে । অতএব বিয়ের আগেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে এই বিষয় গুলোতে সে রাজি কিনা।
৫. কি ধরনের সঞ্চয় এবং অবসরের পরিকল্পনা আপনার? আপনাকে টাকার বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বিয়ের জন্য টাকা খুবই গুরত্বপূর্ণ একটা বিষয় যদিও আমরা কেউ এই বিষয়টি বিশ্বাস করিনা। আপনাকে অবসরের পরিকল্পনা একসাথে বিয়ের সময়ই করতে হবে। আপনারা দুইজন কি চান যখন আপনি অবসরে যাবেন? কি ধরনের অবসর আপনি চান  এবং কিভাবে আপনারা দুইজন আপনাদের ইচ্ছেগুল  বাস্তবে পরিনত করতে পারেন? এগুলো একটা নিদিষ্ট সীমার মধ্যে একরকম হয় বা মিলে।
৬। পাঁচ বছরের মধ্যে আপনার কর্মজীবনের পরিকল্পনা গুলো কেমন হবে? কর্মজীবনের সঠিক পরিকল্পনা আপনাদের উভয়ের আছে কি? এখন সেগুলো সম্পর্কে কথা বলুন এবং দেখুন সেটা উভয়ের একিই রকম কিনা। স্পষ্টতই আপনারা উভয়ই একজন অপরজনকে উৎসাহিত এবং সমর্থন করতে চান তাছাড়া আপনাদের লখ্যগুলো একরকম কিনা সেই ব্যাপারে নিশ্চিত হতে হবে। যদি এমন হয় যে একজন চাচ্ছেন কোন একদিন সিইও হবে অন্যদিকে অন্যজন যে জব করছে সেটা নিয়ে খুশি আছে তাহলে এটা একটা বড় সমস্যা এবং আপনার মনে হবে যে আপানারা একজন অপরজনের জন্য সঠিক নয়।
৭.পাঁচ বছরের মধ্যে আপনার পারিবারিক লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য কি? বিশ্বাস করুন আর না করুন অনেকেই এই লক্ষ্যগুলোর দিকে লক্ষ্য করেনা।  আপনাদের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য একই রকম হওয়ার পর কি আপনারা পারিবারিক জীবন শুরু করতে চান। আপনি পাঁচ বছরের মধ্যে সিইও হতে পারবেনা অথচ আশা করতেছেন দুইজনে মিলে সংসার শুর করবেন।
৮. আপনাদের যৌন জীবন কেমন?এটার ব্যাপারে নির্ভেজাল থাকুন। আপনারা উভয়ই কি যৌন জীবন নিয়ে খুশী এবং সন্তস্ট।যদি আপনার সেক্সের সমস্যা থাকে তাহলে আপনার বিয়ে না করা ই উচিত। একটা ভালো সম্পর্ক গড়তে শারীরিক সম্পর্কটা খুবই গুরত্বপূর্ণ একটা কাজ যদি আপনি সেটা না করতে পারেন তাহলে বিয়েটা আপনার জন্য নয়।
৯. ভবিষ্যতে  শিহরন ধরে রাখার জন্য আপনারা কি কোন পরিকল্পনা করে রেখেছেন? যৌন আগ্রহ ও রোমান্স হারিয়ে ফেলার জন্য অনেকেই বিবাহকে দায়ী করে ।কিন্তু ব্যাপার টা এমন নয় প্রকৃতপক্ষে পরিবার ঘটন ও বাচ্চাদের দিকে মনোযোগের কারন টাই  বাধা হতে পারে।কিন্তু এটা ধরে রাখাটা খুবই খুবই গুরত্বপূর্ণ ।  অন্তরঙ্গতা ধরে উপায়টা আপনাদের দুইজনকে খুজে বের করতে হবে।  আপনাদের পরিকল্পনা এবং কি করতে চান সেটা সরাসরি আলোচনা করেন তাহলে দেখবেন ভবিষ্যতে আপনাদের সম্পর্ক অনেক অন্তরঙ্গ থাকবে এবং আপনারা কখনও কেউ কারো প্রতি বিরক্ত হবেন না , আপনাদের সম্পর্ক সারাজীবন সতেজ থাকবে ইনশা আল্লাহ।
১০. কি ধরনের জীবনযাপন আপনি করতে চান? আপনি জীবনযাপনে সব সময়  সুস্থ থাকার জন্য স্বাথ্যকর খাবার খেতে কেতে চান অন্য দিকে আপনি যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন সে যখন যা ইচ্ছে তা ই খাবে   তার মানে তারকাছে খাবারের বিষয়টা স্বাভাবিক। এই বিষয়টা পরে একটা বড় সমস্যা সৃষ্টি করবে আপনাদের জন্য।  
১১। আপনি তাদের জীবনযাত্রা নিয়ে যুক্তি বা উপদেশ  দিতে পারবেন কিন্তু আপনাকে জানতে হবে তারা কোন ধরনের জীবন যাত্রা পছন্দ  করে  কি তাদের লক্ষ্য? তার কি সেটার উন্নতি করতে চায় এবং সুখী জীবনযাপন করতে চায় অথবা তারা কি এই সবের বা পুষ্টিকর খাবারের তোয়াক্কা ই করেন না ?যদি ব্যাপারটি তাই  হয় তাহলে  বিয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিরাট প্রাথক্য তৈরি করবে যেটা আপনাদের কারো জন্য ই ভালো হবেনা।

বিবাহ যে একটা বড় বিষয়  এবং এটা আপনাকে সে ভাবে ই মুল্যায়ন করতে হবে। বিয়ের আগেই সঠিক প্রশ্নগুলো জানতে পারলে আপনি জীবনে ভুল সিদ্বান্ত নেওয়া থেকে রক্ষা পাবেন। আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, আপনি আসলেই   সঠিক মানুষের সাথে সারাজীবনের জন্য আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন।  

কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলবেন এবং খুব তাড়াতাড়ি আপনার প্রতি তাদেরকে আকৃষ্ট করে তুলবেন।

/ No Comments
আপনি যদি মহিলাদের ব্যাপারে খুবই আগ্রহি বা উৎসাহী  হন  অথচ ঠিক ভাবে কথা বলতে পারছেন না,তাহলে কিভাবে সঠিক ভাবে তাদের সাথে কথা বলতে হবে এবং তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে হবে সেই গুণগুলো আপনাকে শিখতে হবে  ।  এখানে  মেয়েদের মনোযোগ পাওয়ার কিছু উপদেশ আছে ,এগুলো আওত্বে রাখলে আশা করে আপনার এই সমস্ত ভয়ভীতি কেটে যাবে।
আপনারা যারা মেয়েদের সাথে খুব সুন্দর করে বা গুছিয়ে কথা বলতে পারেননা অথচ এটা নিয়ে অনেক চিন্তা করেন। মেয়েদের সামনে এলে আপনার কথা এলোমেলো হয়ে যায় ,যা বলার জন্য এসেছেন সেটা না বলে অন্য কিছু বলে ফেলছেন ,নিজেকে খুবই নার্ভাস লাগে।   দুর থেকে সুন্দর মেয়ে দেখলে ভয় হয় আর সামনে গেলে তো অনেকে মাথা তুলে ও কথা ই বলতে পারেন না
আপনাদের যাদের এই সমস্যা গুলো হচ্ছে তাদের জন্য বলছি।  মেয়েরা আপনার আমার থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তারাও ও আপনার আমার মত মানুষ। আর এটাই আপনাকে মনে রাখতে হবে। আপনি কি আপনার বন্ধুর সাথে কথা বলেনা না ? অবশ্যই বলেন। সত্যি কথা হল ,মেয়েরা তার থেকে ভিন্ন কিছু নয়।  কিন্ত আপনি যদি  আসলেই আকর্ষণীয় ভাবে  মেয়েদের  সাথে কথা বলতে বা মিশতে চান তাহলে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
আপনি কি কখনো  দেখেছেন যে কিছু লোক মেয়েদের সাথে হাটার সময় ই খুব সহজে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে নেয়?
এটা আসলেই  তাদের একধরনের জাদু গুন যেটাতে মেয়েরা সহজেই এড়িয়ে যেতে পারেনা
কিন্তু বাস্তবে তারা শুধু মেয়েদের সাথে আকর্ষণীয় ভাবে কথাগুলোর উপায় গুলো জানে।
যদি দেখেন মেয়েরা আপনার সাথে কথা বলতে ই চায়না,তাহলে আপনাকে ধরে নিতে হবে যে আপনি কোথাও ভুল করছেন।
আপনি নিখুঁত নয়। আপনি যদি মেয়েদের সাথে কথা বলার জন্য সংরাম করেন ,সম্ভবত এটি এমন জিনিস যারা  কারনে আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনি কি করছেন মেয়েরা একটা লোকের প্রতি খুব তাড়াতাড়ি বিমুখ হয়ে যেতে পারে ,এমনটা হয় ,কারন আপনি এমন কিছু করেছেন যেটা তাদের কাছে অসহ্যনিয় ।  আকজন মেয়ের সাথে হাঁটার সময় যদি আপনি তাকে আঘাত করেন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি সে আপনার কাছ থেকে দূরে চলে যাবে। মেয়েরা শুধুমাত্র আপনার শিকার হিসেবে থাকতে চায়না।
একজন মেয়ের সাথে চলার সময় আপনি যদি শুধু তার প্রশংসা করেন এবং বলেন যে আপনার দেখায় সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে সে,তাহলে ও সে আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে কারন এটা সত্যি নয় ।তার মানে আপনি মিথ্যা বলছেন।
কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলবেন যাতে  তারা আপনার সাথে থাকতে চায়। কিছু পদ্বতি আছে যা আপনাকে মেয়েটির সাথে সুন্দর ভাবে কথা বলতে সাহয্য করবে এবং তার মনোযোগ আপনার প্রতি রাখতে সাহায্য করবে।
কিছু টিপস অনুসরন করুন দেখবেন অল্প সময়ে আপনি অন্য যে কোন মেয়েকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করতে পারবেন
১. একজন ব্যাক্তির মত তার সাথে কথা বলুন। হাঁ আমি জানি আপনি কি ভাবছেন। দূর কিন্তু সত্যি কথা বলতে বেশির ভাগ পুরুষ মেয়েদের সাথে আলাপচারিতার সময়  ভিন্ন ধরনের কথা বলেহাঁ তারা মেয়ে হলেও মানুষ এবং আপনি তাদের সাথে কথা বলুন ,যেমন তাদের সাথে আগে কখনও আপনার সাথে দেখা হয়নি সেকেন্ডের মধ্যে ভুলে যান তারা মেয়ে।  এমন ভাবে তার সাথে কথা বলবেন যেন আপনি একজনের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন এমন ভাবে নয় যেমন আপনি তাকে অর্জন করে নিয়েছেন।।  আমাকে বিশ্বাস করুন আপনার তার প্রতি সন্মান প্রদর্শন  সে  খেয়াল করবে। এবং তখন থেকে আপনার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হবে।  দুর্ভাগ্য বশত পুরুষদের অধিকাংশ এইরকম নয়।

প্রশংসা দিয়ে শুরু করবেন না।। আমি জানি ,একটি মেয়ের সাথে চলার সময় আপনি সম্ভবত বলবেন যে আপনি খুবই চমৎকার এটা দিয়ে কথা শুরু করতে মনঃস্থির করবেন। কিন্তু এটি সঠিক নয়। এটা আপনাকে তাকে পাওয়ার আশা ব্যক্ত করবে।  কিন্তু আপনি আসলে সেটা ে চান কিন্তু আপনি সেটা সুস্পষ্ট করে তুলবেন না বা বুঝাবেন না। 
চলে  যাওয়ার পরিবর্তে  আপনি তার সাথে পরিচিত হন।।  হায় !দিয়ে শুরু করুন এমন কিছু  বলুন যে আপনি তাকে দেখেতে কেমন একটা যেটা টিবি বা খেলার কারও সাথে মিলিয়ে নিন
৩. তার  চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন।ভুলেও তার বুকের ভাজের দিকে তাকাবেন না।
এমনকি সে যদি তার জামার ফাক দিয়ে স্তন ও বের করে রাখে আপনি সেটার দিকে না তাকিয়ে তার মুখের দিকে আপনার চোখ রেখে কথা বলবেন।  এটা শুধু ভালো আচরণ ই নয় এমনকি তিনি সন্মানিত বোধ করবেন আর সেই কারনে মেয়েটি আপনার সাথে কথা বলার আগ্রহ তৈরি করবে।
৪. সন্মন প্রদর্শন করুন, কোন রকম অসভ্যতা থেকে বিরত থাকুন। এটা সত্যি যে আপনি যখন তার দিকে এগিয়ে যাবেন এবং সন্মান জনক ভাবে কথা বার্তা বলবেন  তখন সে আপনার প্রতি কৌতূহলী হবে বা মুগ্ধ হবে।। এমনকি তার কাছে আপনাকে যদি  ভালোও না লাগে  সে আপনার সাথে সুন্দর করে কথা বলবে। তার ফলে আপনি তার সাথে কিছু কথা বার্তা বলতে পারবেন এবং তার সম্পর্কে জানতে পারবেন জার ফলে আপনি তার মনোযোগ আকর্ষণ করার একটা সুযোগ পাবেন।আপ্নি যদি শুধু তার শরিরের প্রতি নজর দেন বা আক্রমণাত্মক কথা বার্তা বলেন তাহলে সে দূরে হেতে যাবে।
তার প্রতি  আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন।  এটা আমার কাছে খুবই বিস্ময়কর লাগে যে কত জন পুরুষ মেয়েদের আকর্ষণ পাওয়ার জন্য সে ভাবে কথা বলতে জানে! তারা আসলে মেয়েদের কে তাদের প্রতি আকর্ষণী করে তোলার মত কথা চিন্তা ই করেনা।  তারা ব্যাপারটাকে আগ্রহীন করে তুলে ফলে মেয়েরা নিজেকে তাদের কাছে গুরুত্বহীন মনে করে।
৬.আপনি যদি একটি মেয়ের মনোযোগ পেতে চান তাকে বুঝাতে হবে আপনি তার কাছে অনেক গুরত্বপুন । এটা আপনি তখনি করতে পারবেন যখন  আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ তার প্রতি থাকবে।  কোনভাবে তার প্রতি অমনোযোগী হবেন না যখন সে কথা বলবে তখন আপনি চিন্তা করবেন আপনার একজন বন্ধু মজার মজার কথা বলছে।
৭. পছন্দসই প্রশ্ন জিজ্ঞাস করবেন , মুক্ত প্রশ্ন করতে পারেন। হাঁ বা না তে উত্তর দেওয় যায় এমন প্রশ্ন তাকে করবেন না। চিন্তা করে উত্তর দিতে হবে এমন প্রশ্ন করুন। এমন প্রশ্ন করুন যেটার উত্তর দিতে তার একটু সময় নিতে হবে যার কারনে আপনি তার সাথে গভীর আলোচনায় যেতে পারবেন।
৮. যদি সে একটি গ্রুপে থাকে একক ভাবে তার প্রতি অধিকতর গুরুত্ব  না দিয়ে গ্রুপের সবার সাথে মিশুন।  যেটা থেকে সে এই বার্তা টা পাবে যে আপনার কাছে তার সাথে সাথে তার বন্ধুরাও গুরুত্ব পূর্ণ।  গ্রুপের সবার সাথে কথা বলুন। কথা বলার সময় আপনি জাকে পছন্দ করেন তাকে আল্প একটু বেশী মনোযোগ দিবেন কিন্তু সবার সাথে কথাবার্তা বলবেন। সামিল করবেন যার ফলে অন্যরা আপনাকে হীনমন্য ভাববেনা।
  আপনার সাথে একজন বন্ধুকে নিয়ে আসুন। যখন আপনি সাথে করে কোন বন্ধুকে নিয়ে যাবেন তখন কোন মেয়ে বা মেয়েদের দল আপনার সাথে কথা বলতে অনেক স্বাছন্দ বোধ করবে। সাধারণত ছেলেরা কোন নিদিষ্ট মেয়ের সাথে দেখা করতে তার সাথে অন্য কাউকে নেয় না। যদি আপনি কোন বন্ধুকে আপনার সাথে নিয়ে যান তাহলে মেয়েটি অনেক বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে এবং তার কাছে আপনার উদ্দেশ্য অনেক মহৎ  এবং নির্মল মনে হবে।
১০। আপনি তাকে বাসায় দিয়ে আসার কথা বলবেন না বা উৎসাহ দেখাবেন না। যদি আপনি দ্বিতীয়বার এই কাজ করেন তাহলে সে আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে।আপনি যে তাকে বাসায় দিয়ে আসতে চান সেটা যেন ও কোন ভাবেই বুঝতে না পারে।  যদি সে বুঝতে পারে যে আপনি তাকে পটানোর জন্য এসব করছেন তাহলে  তার কাছে আপনাকে ভয়ানক আর শিকারি মনে হবে।

১১. স্বাভাবিক থাকেন।  আপনি ভাবছেন স্বাভাবিক বা নরমাল থাকাটা কেমন! হ্যাঁ এটাই সত্যি। আপনি শুধু স্বাভিবিক যে ভাবে থাকেন সেই রকম থাকবেন। আপনার স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বর কারনে সে বঝতে পারবে আপনি আসলে মানুষটা কেমন। যেটা তাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে যে আপনি আসলে আপনি কি তার জন্য সঠিক নাকি সঠিক নয়- এমনকি সে অনেক খুশি বা অখুশি ও হতে পারে।
১২. দেখতে শুনতে ভালো।  সত্যি কথা বলতে এটা অবশ্যই তাকে হাল্কা অনুভুতি দিবে কিন্তু মেয়েরা আপানার উপস্থাপনা এবং বেশভুশা অনেক লক্ষ্য করবে। যদি যদি আপনি নোংরা হন  এবং এমন কিছু পরে আছেন যেটা আপনাকে দেখতে খারাপ লাগছে অথবা আপনার শরির থেকে বাজে গন্ধ আসছে তাহলে   সম্ভবত মেয়েরা আপনাকে দেখে পালাবে বা দূরে সরে যাবে।
এটার ফলে মেয়েটির কাছে আপনার খারাপ পরিচয় তৈরি হবে। তাই যাতে আপনাকে দেখতে শুনতে  ভালো দেখায় সে জন্য একটু চেষ্টা করুন  যার  ফলে কথা বলার সময়  আপনি মেয়েটির মনোযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।


কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলতে হয়  তা খুবই সহজ বিষয়। একজন ব্যাক্তিত্ব সম্পূর্ণ মানুষের মত তার সাথে কথা বলুন ,তার প্রতি  সন্মান প্রদর্শন  করুন তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দিন এবং তার সাথে স্বাভাবিক কথাবার্তা চালিয়ে যান । এই সবের মাধ্যমে আপনি মেয়েটির মনোযোগ  সহজে কেড়ে নিতে পারবেন।

মেয়েদের ভালোবাসা পেতে যেটা আপনাকে করতে হবে।

/ No Comments
আপনি যদি মহিলাদের ব্যাপারে খুবই আগ্রহি বা উৎসাহী  হন  অথচ ঠিক ভাবে কথা বলতে পারছেন না,তাহলে কিভাবে সঠিক ভাবে তাদের সাথে কথা বলতে হবে এবং তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে হবে সেই গুণগুলো আপনাকে শিখতে হবে  ।  এখানে  মেয়েদের মনোযোগ পাওয়ার কিছু উপদেশ আছে ,এগুলো আওত্বে রাখলে আশা করে আপনার এই সমস্ত ভয়ভীতি কেটে যাবে।
আপনারা যারা মেয়েদের সাথে খুব সুন্দর করে বা গুছিয়ে কথা বলতে পারেননা অথচ এটা নিয়ে অনেক চিন্তা করেন। মেয়েদের সামনে এলে আপনার কথা এলোমেলো হয়ে যায় ,যা বলার জন্য এসেছেন সেটা না বলে অন্য কিছু বলে ফেলছেন ,নিজেকে খুবই নার্ভাস লাগে।   দুর থেকে সুন্দর মেয়ে দেখলে ভয় হয় আর সামনে গেলে তো অনেকে মাথা তুলে ও কথা ই বলতে পারেন না
আপনাদের যাদের এই সমস্যা গুলো হচ্ছে তাদের জন্য বলছি।  মেয়েরা আপনার আমার থেকে ভিন্ন কিছু নয়, তারাও ও আপনার আমার মত মানুষ। আর এটাই আপনাকে মনে রাখতে হবে। আপনি কি আপনার বন্ধুর সাথে কথা বলেনা না ? অবশ্যই বলেন। সত্যি কথা হল ,মেয়েরা তার থেকে ভিন্ন কিছু নয়।  কিন্ত আপনি যদি  আসলেই আকর্ষণীয় ভাবে  মেয়েদের  সাথে কথা বলতে বা মিশতে চান তাহলে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি।
আপনি কি কখনো  দেখেছেন যে কিছু লোক মেয়েদের সাথে হাটার সময় ই খুব সহজে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে নেয়?
এটা আসলেই  তাদের একধরনের জাদু গুন যেটাতে মেয়েরা সহজেই এড়িয়ে যেতে পারেনা
কিন্তু বাস্তবে তারা শুধু মেয়েদের সাথে আকর্ষণীয় ভাবে কথাগুলোর উপায় গুলো জানে।
যদি দেখেন মেয়েরা আপনার সাথে কথা বলতে ই চায়না,তাহলে আপনাকে ধরে নিতে হবে যে আপনি কোথাও ভুল করছেন।
আপনি নিখুঁত নয়। আপনি যদি মেয়েদের সাথে কথা বলার জন্য সংরাম করেন ,সম্ভবত এটি এমন জিনিস যারা  কারনে আপনি বুঝতে পারবেন না যে আপনি কি করছেন মেয়েরা একটা লোকের প্রতি খুব তাড়াতাড়ি বিমুখ হয়ে যেতে পারে ,এমনটা হয় ,কারন আপনি এমন কিছু করেছেন যেটা তাদের কাছে অসহ্যনিয় ।  আকজন মেয়ের সাথে হাঁটার সময় যদি আপনি তাকে আঘাত করেন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি সে আপনার কাছ থেকে দূরে চলে যাবে। মেয়েরা শুধুমাত্র আপনার শিকার হিসেবে থাকতে চায়না।
একজন মেয়ের সাথে চলার সময় আপনি যদি শুধু তার প্রশংসা করেন এবং বলেন যে আপনার দেখায় সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে সে,তাহলে ও সে আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে কারন এটা সত্যি নয় ।তার মানে আপনি মিথ্যা বলছেন।
কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলবেন যাতে  তারা আপনার সাথে থাকতে চায়। কিছু পদ্বতি আছে যা আপনাকে মেয়েটির সাথে সুন্দর ভাবে কথা বলতে সাহয্য করবে এবং তার মনোযোগ আপনার প্রতি রাখতে সাহায্য করবে।
কিছু টিপস অনুসরন করুন দেখবেন অল্প সময়ে আপনি অন্য যে কোন মেয়েকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করতে পারবেন
১. একজন ব্যাক্তির মত তার সাথে কথা বলুন। হাঁ আমি জানি আপনি কি ভাবছেন। দূর কিন্তু সত্যি কথা বলতে বেশির ভাগ পুরুষ মেয়েদের সাথে আলাপচারিতার সময়  ভিন্ন ধরনের কথা বলেহাঁ তারা মেয়ে হলেও মানুষ এবং আপনি তাদের সাথে কথা বলুন ,যেমন তাদের সাথে আগে কখনও আপনার সাথে দেখা হয়নি সেকেন্ডের মধ্যে ভুলে যান তারা মেয়ে।  এমন ভাবে তার সাথে কথা বলবেন যেন আপনি একজনের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন এমন ভাবে নয় যেমন আপনি তাকে অর্জন করে নিয়েছেন।।  আমাকে বিশ্বাস করুন আপনার তার প্রতি সন্মান প্রদর্শন  সে  খেয়াল করবে। এবং তখন থেকে আপনার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হবে।  দুর্ভাগ্য বশত পুরুষদের অধিকাংশ এইরকম নয়।

প্রশংসা দিয়ে শুরু করবেন না।। আমি জানি ,একটি মেয়ের সাথে চলার সময় আপনি সম্ভবত বলবেন যে আপনি খুবই চমৎকার এটা দিয়ে কথা শুরু করতে মনঃস্থির করবেন। কিন্তু এটি সঠিক নয়। এটা আপনাকে তাকে পাওয়ার আশা ব্যক্ত করবে।  কিন্তু আপনি আসলে সেটা ে চান কিন্তু আপনি সেটা সুস্পষ্ট করে তুলবেন না বা বুঝাবেন না। 
চলে  যাওয়ার পরিবর্তে  আপনি তার সাথে পরিচিত হন।।  হায় !দিয়ে শুরু করুন এমন কিছু  বলুন যে আপনি তাকে দেখেতে কেমন একটা যেটা টিবি বা খেলার কারও সাথে মিলিয়ে নিন
৩. তার  চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন।ভুলেও তার বুকের ভাজের দিকে তাকাবেন না।
এমনকি সে যদি তার জামার ফাক দিয়ে স্তন ও বের করে রাখে আপনি সেটার দিকে না তাকিয়ে তার মুখের দিকে আপনার চোখ রেখে কথা বলবেন।  এটা শুধু ভালো আচরণ ই নয় এমনকি তিনি সন্মানিত বোধ করবেন আর সেই কারনে মেয়েটি আপনার সাথে কথা বলার আগ্রহ তৈরি করবে।
৪. সন্মন প্রদর্শন করুন, কোন রকম অসভ্যতা থেকে বিরত থাকুন। এটা সত্যি যে আপনি যখন তার দিকে এগিয়ে যাবেন এবং সন্মান জনক ভাবে কথা বার্তা বলবেন  তখন সে আপনার প্রতি কৌতূহলী হবে বা মুগ্ধ হবে।। এমনকি তার কাছে আপনাকে যদি  ভালোও না লাগে  সে আপনার সাথে সুন্দর করে কথা বলবে। তার ফলে আপনি তার সাথে কিছু কথা বার্তা বলতে পারবেন এবং তার সম্পর্কে জানতে পারবেন জার ফলে আপনি তার মনোযোগ আকর্ষণ করার একটা সুযোগ পাবেন।আপ্নি যদি শুধু তার শরিরের প্রতি নজর দেন বা আক্রমণাত্মক কথা বার্তা বলেন তাহলে সে দূরে হেতে যাবে।
তার প্রতি  আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন।  এটা আমার কাছে খুবই বিস্ময়কর লাগে যে কত জন পুরুষ মেয়েদের আকর্ষণ পাওয়ার জন্য সে ভাবে কথা বলতে জানে! তারা আসলে মেয়েদের কে তাদের প্রতি আকর্ষণী করে তোলার মত কথা চিন্তা ই করেনা।  তারা ব্যাপারটাকে আগ্রহীন করে তুলে ফলে মেয়েরা নিজেকে তাদের কাছে গুরুত্বহীন মনে করে।
৬.আপনি যদি একটি মেয়ের মনোযোগ পেতে চান তাকে বুঝাতে হবে আপনি তার কাছে অনেক গুরত্বপুন । এটা আপনি তখনি করতে পারবেন যখন  আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ তার প্রতি থাকবে।  কোনভাবে তার প্রতি অমনোযোগী হবেন না যখন সে কথা বলবে তখন আপনি চিন্তা করবেন আপনার একজন বন্ধু মজার মজার কথা বলছে।
৭. পছন্দসই প্রশ্ন জিজ্ঞাস করবেন , মুক্ত প্রশ্ন করতে পারেন। হাঁ বা না তে উত্তর দেওয় যায় এমন প্রশ্ন তাকে করবেন না। চিন্তা করে উত্তর দিতে হবে এমন প্রশ্ন করুন। এমন প্রশ্ন করুন যেটার উত্তর দিতে তার একটু সময় নিতে হবে যার কারনে আপনি তার সাথে গভীর আলোচনায় যেতে পারবেন।
৮. যদি সে একটি গ্রুপে থাকে একক ভাবে তার প্রতি অধিকতর গুরুত্ব  না দিয়ে গ্রুপের সবার সাথে মিশুন।  যেটা থেকে সে এই বার্তা টা পাবে যে আপনার কাছে তার সাথে সাথে তার বন্ধুরাও গুরুত্ব পূর্ণ।  গ্রুপের সবার সাথে কথা বলুন। কথা বলার সময় আপনি জাকে পছন্দ করেন তাকে আল্প একটু বেশী মনোযোগ দিবেন কিন্তু সবার সাথে কথাবার্তা বলবেন। সামিল করবেন যার ফলে অন্যরা আপনাকে হীনমন্য ভাববেনা।
  আপনার সাথে একজন বন্ধুকে নিয়ে আসুন। যখন আপনি সাথে করে কোন বন্ধুকে নিয়ে যাবেন তখন কোন মেয়ে বা মেয়েদের দল আপনার সাথে কথা বলতে অনেক স্বাছন্দ বোধ করবে। সাধারণত ছেলেরা কোন নিদিষ্ট মেয়ের সাথে দেখা করতে তার সাথে অন্য কাউকে নেয় না। যদি আপনি কোন বন্ধুকে আপনার সাথে নিয়ে যান তাহলে মেয়েটি অনেক বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে এবং তার কাছে আপনার উদ্দেশ্য অনেক মহৎ  এবং নির্মল মনে হবে।
১০। আপনি তাকে বাসায় দিয়ে আসার কথা বলবেন না বা উৎসাহ দেখাবেন না। যদি আপনি দ্বিতীয়বার এই কাজ করেন তাহলে সে আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে।আপনি যে তাকে বাসায় দিয়ে আসতে চান সেটা যেন ও কোন ভাবেই বুঝতে না পারে।  যদি সে বুঝতে পারে যে আপনি তাকে পটানোর জন্য এসব করছেন তাহলে  তার কাছে আপনাকে ভয়ানক আর শিকারি মনে হবে।

১১. স্বাভাবিক থাকেন।  আপনি ভাবছেন স্বাভাবিক বা নরমাল থাকাটা কেমন! হ্যাঁ এটাই সত্যি। আপনি শুধু স্বাভিবিক যে ভাবে থাকেন সেই রকম থাকবেন। আপনার স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বর কারনে সে বঝতে পারবে আপনি আসলে মানুষটা কেমন। যেটা তাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে যে আপনি আসলে আপনি কি তার জন্য সঠিক নাকি সঠিক নয়- এমনকি সে অনেক খুশি বা অখুশি ও হতে পারে।
১২. দেখতে শুনতে ভালো।  সত্যি কথা বলতে এটা অবশ্যই তাকে হাল্কা অনুভুতি দিবে কিন্তু মেয়েরা আপানার উপস্থাপনা এবং বেশভুশা অনেক লক্ষ্য করবে। যদি যদি আপনি নোংরা হন  এবং এমন কিছু পরে আছেন যেটা আপনাকে দেখতে খারাপ লাগছে অথবা আপনার শরির থেকে বাজে গন্ধ আসছে তাহলে   সম্ভবত মেয়েরা আপনাকে দেখে পালাবে বা দূরে সরে যাবে।
এটার ফলে মেয়েটির কাছে আপনার খারাপ পরিচয় তৈরি হবে। তাই যাতে আপনাকে দেখতে শুনতে  ভালো দেখায় সে জন্য একটু চেষ্টা করুন  যার  ফলে কথা বলার সময়  আপনি মেয়েটির মনোযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।


কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলতে হয়  তা খুবই সহজ বিষয়। একজন ব্যাক্তিত্ব সম্পূর্ণ মানুষের মত তার সাথে কথা বলুন ,তার প্রতি  সন্মান প্রদর্শন  করুন তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়ার চিন্তা বাদ দিন এবং তার সাথে স্বাভাবিক কথাবার্তা চালিয়ে যান । এই সবের মাধ্যমে আপনি মেয়েটির মনোযোগ  সহজে কেড়ে নিতে পারবেন।

কিভাবে ভাঙ্গামন জোড়া দিয়ে জীবনে আবার সুখ খুজে নিবেন.

/ No Comments
আপনার হৃদয় ভেঙ্গে যাওয়া জীবনে সবচেয়ে খারাপ  জিনিসগুলির মধ্যে একটি। ভাঙ্গা হৃদয় জোড়া দেওয়া শিখতে  পারাটা  জীবনের অত্যন্ত মুল্যবান একটি জ্ঞান।
কিছু কিছু কারনে আপনার হৃদয় ভাঙতে পারে।হয়ত আপনি খুবই ভাগ্যবানদের একজন যে কিনা কোনদিন সম্পর্ক ছিন্ন ছাড়াই তার সত্যি কারে ভালোবাসা পেয়েছিলেন।
কিন্তু এটা স্বাভাবিক বিষয় নয়,আপনাকে অবশ্যই ভাঙ্গা হৃদয় জোড়া দেওয়ার কৌশল শিখতে হবে যাতে কখন আপনার মনে অনেক আঘাত পেলেও পুনরায় সুখ খুজে নিতে পারেন।বা সহজেই মন ভালু করে নিতে পারেন। একটা চূর্ণ বিচূর্ণ হৃদয় জোড়া দেওয়া ওত সহজ নয়।প্রথমে আপনি অনেক মর্মহত হবেন তারপর আপনি আবার উঠে দাঁড়াবেন। আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে  পুনরায় বাঁচতে হয়। যদিও সুখী হওয়াটা আগের চেয়ে অনেক কঠিন মনে হবে। সব কিছুতে পূর্বের চেয়ে আপনি অনেক কম আনন্দ পাবেন আনন্দ গুলো আপনার কাছে সাধারন একটা বিষয় মনে হবে।  
প্রথমত আপনার জীবনে মন ভাঙ্গার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।আপনি বিশ্বাস করেন আর না করেন সম্পর্ক এক সময় ভাঙতেই পারে। আপনি হয়ত  মনে করতে পারেন একটি সামান্য কথায় সম্পর্ক শেষ করা যায় কিন্ত বেশীরভাগ ক্ষেত্রে একটি সম্পরকের টানা পোড়ন চলতেই থাকে।সাধারণত এটি হয়ে থাকে যদি সে বুঝতে না পারে যে সে সত্যি আপনাকে ছেড়ে যাচ্ছে। তারা বিষয় তাকে সিরিয়াস না ভেবে হেলা ফেলা করে কিন্ত ব্যাপার টাকে খুলে বলেনা।
তার কিছুদিন পরে তারা আপনাকে সোজা সাপটা উত্তর দেবে সম্পক্ক ছিন্ন করার ফলে আপনার হৃদয় ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাবে।The first step is getting through that initial breakup with class.
ভুলেও তার দিকে আর হাত বাড়াবেন না।মাতালের মত বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করবেন না তাদেরকে একা থাকতে দেন একটা ভালো বন্ধু মহলের সাথে লেগে থাকার চেষ্টা করুন যারা আপনাকে সব সময় সমর্থন দিয়ে যাবে।
কীভাবে ভাঙ্গা মন জোড়া দিয়ে আবার উৎসাহের সহিত প্রেমে পরবেন
আমি জানি আপনি সত্যি নতুন করে এখন আর প্রেমে পড়ার চিন্তা করছেন না।কিন্তু আপনাকে অন্তত কীভাবে ভাঙ্গা মন জোড়া দিয়ে জীবনে আবার প্রফুল্ল হওয়া যায় সেটা জানতে হবে। আপনার মনের কষ্ট দুর না হওয়া পযন্ত কীভাবে মনের ব্যত্থা সারাতে কি করবেন এখানে তা বর্ণনা করা হয়েছে।
. বন্ধুদের থেকে সাহায্য নিতে পারেন। আপনার বন্ধু আপনাকে সহযোগিতা করতে প্রুস্তত। বন্ধুরা আপনাকে খারাপ সময় থেকে টেনে তুলবেন। আপনার জীবনে কি চলছে,আপনার মনের অবস্থা,আপনার মনের কষ্ট এবং কীভাবে কষ্ট পেয়েছেন বন্ধুদের সাথে আলাপআলোচনা করেন।
 আপনার বাস্তবিক বা বর্তমান অবস্থা তাদেরকে বুঝতে দিন যাতে তারা সেই অনুযায়ী আপনাকে  সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। 
 তাদের সাহায্যর আগে চিন্তা করুন এই অবস্থার পূর্বে আপনি তাদের জায়গায় আর অন্য একজন আপনার জায়গায়। এখন আপনি তাদের অবদানের কথা চিন্তা করুন।
. আনন্দ উল্লাসে মেতে থাকুন। ভাঙ্গা মন উজ্জীবিত করতে আপনাকে আগে মনের সব কষ্ট দুর করার জিনিস খুজতে হবে।
যত তাড়াতাড়ি আপনি সেটা খুজে পাবেন তত তাড়াতাড়ি আপনি স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারবেন।
আল্প সময়ে আপনি দেখবেন আপনার হৃদয়ের ব্যাথা গুলো কমে যাচ্ছে একটা সময় আসবে যখন এই বিষয়টি আর মনেও আসবেনা।
বন্ধুদের সাথে সময় ব্যয় করুন।মজা পান এমন সব জিনিস করুন। মন খারাফ করে এমন সব বিষয় শুয়ে শুয়ে চিন্তা করা থেকে বিরত থাকুন।
. জীবনকে উপভোগ করুন আপনি সচরাচর যে সব কাজ করেন সেগুলো থেকে থেমে থকাবেন না। আপনার শখের কাজ গুলো করতে থাকেন। সপ্তাহের যেদিন বন্ধুদের  সাথে সবসময়  বাহিরে যেতেন সেভাবে যান।এমনভাবে জীবন যাপন করবেন না যে আপনি একজন ভাঙ্গা হৃদয়ের মানুষ যদি আপনি সব সময় মন খারাপ করে থাকেন সেটা হবে আপনার জন্য অনেক ক্ষতিকর।

. নতুন কোন শখ খুজে বা বাচাই করুন। আপনার কারো সাথে সম্পর্ক থেকে না থাকলে আপনার হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় থাকবে
মন খারাপ করে অলস ভাবে সময় কাটানোর পরিবর্তে কিছু নতুন শখের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন যার ফলে ওইদিক থেকে আপনার মনোযোগ সরে গিয়ে আপনি নতুন কিছু খুজে পাবেন যেটাতে আপনি আসলেই আনন্দ পাবেন এমনকি অনেক নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পারেন যেটাতে আপনি আনন্দ পান যেমন হাস্যকর এবং মজার কিছু গেম
প্রতিনিয়ত পড়ুন অন্যদিকে মনোনিবেশ  করার সবচেয়ে ভালো উপায় বই পড়া  কারন তখন আপনার আর নিজেকে নিয়ে চিন্তা না হয়ে পড়ার চরিত্র গুলোর মধ্যে ডুবে থাকবেন এবং বইয়ের অন্য চরিত্র গুলোর সংগ্রাম এর কাহিনী আপনার সামনে ভেসে বেড়াবে
যখন আপনি একটি বই অনেক দিন পড়তে পড়তে সেটার ভিতরে মগ্ন থাকবেন  তখন আপনার  আর নিজের হৃদয় ভাঙ্গার কষ্ট অনেক দিন পর্যন্ত মনে আসবেনা
  নিজের ব্যাথা নিজেকে উপলব্দি করতে দিন কষ্ট লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন না যদি কাঁদার প্রয়োজন  হয় তাহলে কেঁদে নিজের মনকে হাল্কা করুন আপনার মনের ব্যথা আপনাকেই বুঝতে হবে এবং সহ্য করতে হবে অন্য কেউ সেটার অংশীদার হবেনা বা বয়ে বেড়াবেনা
কান্নার কাটির জন্য সময় নিন তারপর নিজেকে আবার চাঙ্গা করে তুলুন এবং হাসি খুসি থাকার মত পরিস্থিতি তৈরি করুন
 ভাঙ্গা হৃদয় ঠিক করার উপায় জানার কারনে আপনি খুব ভালো করে কেঁদে আবার নিজেকে হাসিয়ে স্বাভাবিক জীবনে খুব সজেই ফিরে আসতে পারবেন
  যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেখান থেকে সরে  আসুন একজন মন ভাঙ্গা মানুষ ভিতরে ভিতরে সেটার পেছনে লেগে থাকে আপনি জাস্ট মনে রাখবেন আপনি তাকে দেখতে চান না বা কোথাও যেতে চান না যদিও তাকে আপনি খুব মিস করেন
যুক্তিসঙ্গত ভাবে আপনার সম্পর্কের কথা ভাবুন এবং এক্তু পেছনে ফিরে তাকান ,অনেক  দিন পূর্বে আপনার আগের সম্পর্কের ব্যাপারে চিন্তা করুন   ওটা কি খুব ভালো ছিলজখন আপনি কারো সাথে  আপনার ভালোবাসার মানুশের সাথে আপনার কিছু খুনসুটি থাকাটা স্বাভাবিক
যাই হোক তার সাথে আপনার সম্পর্কটা খুব ভালো ছিলনা এখান থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট যে    তারা শুধু আপনাকে কষ্ট দিয়েছে  আপনার সম্পর্কটার একটু পেছনে যান মনে করুন সেটা আপনার বন্ধুর সম্পর্ক ছিল  এই সত্যটা মেনে নিলে খুব তাড়াতাড়ি আপনি আপনার মনকে সারিয়ে তুলতে পারবেন
. আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ শুরু করুন  আপনি যদি  মনে করেন আপনার আত্মঅভিমান সম্ভবত কম এবং আপনি ছিলেন অযত্নশীল এবং আপনার মধ্যে অনেক ভালো গুণের অভাব ছিল যদি এই ধরনের চিন্তা মনে বাসা বাঁধে তাহলে সেটা হবে আপনার জন্য খুবিই খারাপ শরীর স্বাথ্য ভালো রাখতে ব্যায়াম করুন যার ফলে আপনার নিউরন গুলো ঠিকমত কাজ করবে  ব্রেইন কে ইতি বাচক জীনিস নিইয়ে ভাবতে রাখুন এবং ভুলেও চিন্তা করবেন না আপনার হৃদয় ভেঙ্গে ছিল
১০.আপনি কেমন বোধ করেন সেটা লিখে রাখুন  মাঝে মাঝে আমাদের অনুভূতি গুলো লিখে রাখলে আমারা বুঝতে পারব যে আমরা কি আসলে ভিন্ন কোন প্রেক্ষাপটে চলে যাচ্ছি নাকি  কষ্ট বা নিজের অসময়ের অনভুতি গুলো লিখে রাখলে আপনি সহজে সেটা দেখতে পারবেন
লেখালেখি শুরু করুন প্রত্যেকদিন আপনার কষ্ট এবং অনুভূতি এবং কেমন কষ্টের মধ্যে দিয়ে আপনার দিন যাচ্ছে  সেটা লিখে রাখুন যার ফলে আপনি কষ্টের অনুভূতি গুলো থেকে সরে আসতে পারবেন এবং নিজের ভিতরের কষ্ট গুলো নিভিয়ে দিতে পারবেন
১১ স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করুন  যদি আপনাকে এই পথে যেতে হয় তাহলে সতর্ক থাকুন আপনি  অন্য একটা মানুষের মাধেমে আপনার হৃদয় খণ্ড বিখন্ড হৃদয় একসাথে জোড়া দেওয়া শিখছেন  তবে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে নিজেকে সুস্থ করার জন্য বা মনের শান্তির জন্য আপনি অন্য একটি সম্পর্কে জড়াবেন না সেটা আপনার জন্য ভয়ানক হতে পারে
১২. কিছু সময় দিনঃ আপনি রাতারাতি মনকে স্বাভাবিক করে তুলতে পারবেন না ,কিছু সময় লাগবেই   একটি আদর্শ হিসেবে ,নিজেকে তিন মাস সময় দিন যদি তিম মাসেও আপনি ভালো বোধ না করেন তাহলে আপনি অতিরিক্ত এবং পেশাদারি সাহায্য খুজে বের করুন
 হীন চিন্তা এবং নেতিবাচক ধারনার ফলে আপনার জীবনে নানা রকম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাড়াতাড়ি এটাকে বন্ধ করুন যাতে আপনি তাড়াতাড়ি হাসিখুশিতে ফিরে আস্তে পারেন

ভাঙ্গা মন জোড়া দেওয়ার উপায় জানা সহজ কিন্তু প্রয়োগ করা খুব কঠিন    আবার সুখী হওয়ার আগ পর্যন্ত আপনাকে মানসিক ভাবে শক্ত হতে হবে এবং এই প্যাঁচ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে